এই নিবন্ধটি বরিশাল শহর সম্পর্কে। বিভাগের জন্য বরিশাল বিভাগ দেখুন। জেলার জন্য বরিশাল জেলা দেখুন। বরিশালের ব্যক্তিদের জন্য বরিশালের ব্যক্তিদের তালিকা দেখুন।

বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রধান শহর। এটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত ও একই সাথে জেলা ও বিভাগীয় সদর দপ্তর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে মোগল আমলে স্থাপিত লবণচৌকি গিরদে বন্দর কে কেন্দ্র করে এ শহর গড়ে ওঠে ও ১৮০১ সালে বরিশালে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হলে, শহর হিসেবে এর ব্যাপক গুরুত্ব বাড়ে। দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনের একটি মূল উৎস এই বৃহত্তর বরিশাল। বরিশালে একটি নদীবন্দর রয়েছে যেটি দেশের অন্যতম প্রাচীন, দ্বিতীয় বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীবন্দর।





স্থানাঙ্ক: ২২°৪৮′০″ উত্তর ৯০°৩০′০″ পূর্বদেশবাংলাদেশবিভাগবরিশাল বিভাগজেলাবরিশাল জেলাপৌরসভা প্রতিষ্ঠা১৮৭৬; ১৪৬ বছর আগেসিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা২০০২; ২০ বছর আগেশহর হিসাবে মর্যাদা প্রাপ্তি১৯ এপ্রিল ২০০৩সরকার • ধরনমেয়র-কাউন্সিল • শাসকবরিশাল সিটি কর্পোরেশন • মেয়রসেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহআয়তন • পৌর এলাকা৫৮ বর্গকিমি (২২ বর্গমাইল)উচ্চতা১ মিটার (৪ ফুট)জনসংখ্যা (২০১১ আদমশুমারি) • মহানগরী৩,২৮,২৭৮ • জনঘনত্ব১০,৫২৪/বর্গকিমি (২৭,২৬০/বর্গমাইল) • মহানগর৩,৮৫,০৯৩সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)পোস্ট কোড৮২০০কলিং কোড০৪৩১



নামকরন
বরিশাল নামকরণ সম্পর্কে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। এক কিংবদন্তি থেকে জানা যায় যে, পূর্বে এখানে খুব বড় বড় শাল গাছ জন্মাতো, আর এই বড় শাল গাছের কারণে (বড়+শাল) বরিশাল নামের উৎপত্তি। খাল বিল জলাভূমিতে ভরা বরিশালে যাতায়াতের অসুবিধাকে মাথায় রেখে চালু হয়েছে কথা আইতে শাল যাইতে শাল, তার নাম বরিশাল।[১] কেউ কেউ দাবি করেন, পর্তুগীজ বেরি ও শেলির প্রেমকাহিনীর জন্য বরিশাল নামকরণ করা হয়েছে। অন্য এক কিংবদন্তি থেকে জানা যায় যে, গিরদে বন্দরে (গ্রেট বন্দর) ঢাকার নবাবদের বড় বড় লবণের গোলা ও চৌকি ছিল। ইংরেজ ও পর্তুগীজ বণিকরা বড় বড় লবণের চৌকিকে ‘বরিসল্ট’ বলতো। অথাৎ বরি (বড়)+ সল্ট(লবণ)= বরিসল্ট। আবার অনেকের ধারণা এখানকার লবণের দানাগুলো বড় বড় ছিল বলে ‘বরিসল্ট’ বলা হতো । পরবর্তিতে বরিসল্ট শব্দটি
পরিবর্তিত হয়ে বরিশাল নামে পরিচিতি লাভ করে।

Leave a comment